স্টাফ রিপোর্টার: হিন্দু সম্প্রদায়ের অন্যতম উৎসব লাঙ্গলবন্দ । প্রতিবছরই দুইদিন ব্যাপী সোনারগাঁয়ের ব্রহ্মপুত্র নদের এ ¯œানোৎসব পালন করে থাকেন হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন। বাংলাদেশ ছাড়াও বিশে^র কয়েকটি দেশের হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন লাঙ্গলবন্দে এসে ¯œানোৎসবে যোগদেন। আর এ ¯œানোৎব সুষ্ঠভাবে পালনের জন্য জেলা প্রশাসনের কড়া নজরদারী ছাড়াও একটি কমিটি থাকে যারা সবকিছুর তদারকি করে থাকেন।
স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের সাধারন মানুষের মতে, ২৪’র ৫ আগষ্টের পর থেকে এ ¯œানোৎসবে কোন কমিটি ছিলনা। জেলা প্রশাসকের অধীনেই গত বছর এ উৎসব পালন করা হয়েছে। কিন্তু চলতি বছর এ উৎসব পালনে কমিটিতে উপদেষ্টা পদ পেতে মরিয়া হয়ে পড়েছেন সংকর সাহা। নারায়ণগঞ্জে ছোটবড় অনেকগুলো হিন্দু সংগঠন থাকলেও তাদেরকে কাউকেই কিছু জানাই বলে অভিযোগ উঠেছে এ সংকর সাহার বিরুদ্ধে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক হিন্দু সংগঠনের নেতৃবৃন্দ জানান,শুধুমাত্র উপদেষ্টা নয় একটি পকেট কমিটি গঠনের জন্য সংকর সাহা তার বলয়ের কিছু নেতাদেরকে নিয়ে ¯œান উৎসব উপলক্ষে গোপনে অগ্রসর হচ্ছেন। কিন্তু আমরা এতে ক্ষিপ্ত রয়েছি সংকর সাহার উপর। কারন তারা নিজেদের স্বার্থের জন্য অন্যান্য কোন সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সাথে আলোচনা ছাড়াই কমিটি গঠনের উঠেপড়ে লেগেছেন। যা আমাদের কারোর কাম্য নয়। কারন তার পেছনে রয়েছেন সব আওয়ামীলীগের দোসররা। এদের মধ্যে অন্যতম হচ্ছেন এনসিসি ১৫ নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর অসিত বরন বিশ^াস, সুজন সাহা,ভবানী শংকর, বরুন ও বিশ^জিতগং।
তারা আরও বলেন, সংকর সাহাগংরা শুধুমাত্র তাদের আখের গোছানোর জন্যই বিভিন্ন সংগঠনের উপদেষ্টাসহ ভাইটাল পদ-পদবীগুলো বহন করে থাকেন। কারন সরকারসহ বিভিন্ন ব্যবসায়ী ও দাতাদের কাছ থেকে আমাদের সম্প্রদায়ের জন্য যে সাহায্য সহযোগিতার বরাদ্ধগুলো আসে সেগুলোর বেশীরভাগ অংশ নিজেরা ভাগ-ভাটোয়ারা করে থাকেন। গুরুত্বপুর্ন পদে থাকলে সবকিছু পাওয়া যায় এ প্রথা নিয়েই সংকর সাহাগংরা সর্বদা নিজেদেরকে সামনের সারিতে রাখতে ব্যস্ততা দেখান।
¯œানোৎসব নিয়ে কমিটি গঠনে হিন্দু সম্প্রদায়ের অন্যান্য সংগঠনগুলোর নেতৃবৃন্দদেরকে যদি অর্ন্তভুক্ত না করা হয় তাহলে সংকর সাহাগংদের বিরুদ্ধে ফুসে উঠতে পারেন নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দরা। তাদেও দাবী সংকর সাহাগং নয় জেলা প্রশাসকের মাধ্যমেই গতবারের ন্যায় এবারও লাঙ্গলবন্দের ¯œানোৎসব উদযাপন করা হোক।